Home » পাথরকুচি এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

পাথরকুচি এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

পাথরকুচি এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

পাথরকুচি এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

বৈজ্ঞানিক নামঃ Kalanchoe Pinnata Pers.
পরিবারঃ Crassulaceae.
ইংরেজি নামঃ Bryophyllum pinnatum.

পরিচিতি

পাথরকুচি একটি শাখাবিহীন শুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত আধা মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়, তবে ক্ষেত্রবিশেষে ১ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে দেখা যায়। লম্বা বোঁটায় পাতা মাংসল মসৃণ ডিম্বাকৃতি ও কিনারা গোল খাঁজকাটা। লম্বা ৮-১২ সে.মি. ও চওড়া ৫-৬ সে.মি.। মজার বিষয় যে, পাতার কিনারা থেকে নতুন চারা গজায়, মূল কাণ্ডের চারদিকে ঘন হয়ে পাতা গজায়।


বিস্তৃতি

বাংলাদেশের সর্বত্র এই গাছ জন্মায়।

ঔষধি গুণ

পাথরকুচি মধুর ও কষায় রস সম্পন্ন। এ ভষজটি প্রধানত মূত্রবহ স্রোতে কাজ করে এবং ব্যবহার অংশ পাতা।

১। যে কোনো কারণেই হোক বা যে কোনো বয়সেই হোক মূত্র রোধে ২ চামচ পাথরকুচির পাতার রস আধাকাপ কুসুম গরম পানিতে মিশেয়ে সকালে ও বিকালে খেলে উপকার হবে। শিশুওদের ক্ষেত্রে মাত্রা অর্ধেক।

২। মেহ রোগে, যদি মধুমেহ বা প্রমেহ না হয়, এ পাতার রস এক চা চামচ করে সকাল-বিকাল দুইবার খেলে ৫/৭ দিনের মধ্যে বিশেষ উপকার হয়।

৩। রক্তপিত্তে পাথরকুচির পাতার রস উপরের নিয়মে ২/৩ দিন খাওয়ালেই ধীরে ধীরে কমে যাবে। পুরোনো সর্দি বা কফ ও ঠাণ্ডা লেগে শ্লেষ্মা হলে ২ চা চামচ পাথরকুচি পাতার রস গরম করে সাথে ১৬৫ মি.গ্রা. সোহাগা-খই মিশিয়ে সকাল-বিকাল ২ বার খেলে সর্দি চলে যাবে এবং কাশির হাত থেকে বাঁচা যাবে।



৪। পেট ফেঁপে আছে, প্রস্রাব হচ্ছে না এবং অধঃবায়ুও সরছে না, এক্ষেত্রে ২ চা চামচ পাতার রসের সাথে একটু চিনি ও সিকি কাপ পানি মিশিয়ে একটু গরম করে খাওয়াতে হবে, এতে প্রস্রাব হবে। অধঃবায়ুও নিঃসরণ হবে ও পেট ফাঁপাও কমে যাবে।

৫। অনেক সময় দেড় দুই বছরের শিশু কান্নকাটি করে, কোথায় কী হয়েছে বলতে পারে না। যদি বোঝা যায় পেটে ব্যথা তবে পাথরকুচি পাতার রস ৩০-৬০ ফোঁটা গরম করে ঠাণ্ডা হলে মুখে দিতে হবে এবং কাঁচা রস পেটে লাগিয়ে দিতে হবে।

৬। মৃগী রোগীর আক্রান্ত হওয়ার সময় পাতার রস ৮-১০ ফোঁটা করে মুখের মধ্যে দিতে হবে। একটু পেটে গেলেই রোগের  উপশম হবে।

৭। ডায়াবেটিস সরাতে পাথরকুচি পাতার রস ব্যবহার হয় (Ethnomed, 1980)।

৮। রক্ত আমাশয় সরাতেও পাথরকুচির পাতার রস উত্তম (Ghani, 2003)।


Sending
User Review
0% (0 votes)







past