Home » শেওড়া গাছ এর উপকারিতা ঔ ঔষধি গুনাগুন

শেওড়া গাছ এর উপকারিতা ঔ ঔষধি গুনাগুন

Siamese Roughbush
বৈজ্ঞানিক নামঃ Streblus asper Lour.
পরিবারঃ Moraceae
ইংরেজি নামঃ Siamese Roughbush.

পরিচিতি
শেওড়া ঝোপ পাতাশিষ্ট ঘন পত্রাচ্ছাদিত চিরসবুজ গাছ। গাছটি খুব ধীরে ধীরে বাড়ে, ৬-৭ মিটারের মতো উঁচু হতে থাকে। ডাল সাধারণত সোজা হয় না, ঘন গাঁটযুক্ত, ছাল পুরু, নরম ও ধূসর বর্ণ, পাতা খসখসে, ৩-৪ সে.মি. চওড়া এবং ৫-৭ সে.মি. লম্বা হতে পারে। পাতা ছিঁড়লে বা গাছ কাটলে দুধের মতো সাদা ঘন কষ বের হয়। শেওড়া গাছের ডালপালা ও পাতা এত ঘন থাকে েএ গাছের নিচে রোদ পৌঁছায় না। মার্চ-এপ্রিল মাসে ফূল হয়। ফুল একলিঙ্গবিশিষ্ট। মটরদানার মতো দেখতে ফুল মে-জুন মাসে পাকে। তবে খুব কম গাছেই ফুল ও লল হতে দেখা যায়।



বিস্তার এশিয়ার উষ্ন অঞ্চল শেওড়া গাছের আদি নিবাস। বাংলাদেশের সর্বত্র এটি দেখা যায়, তবে উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলে এটি দেখা যায় না। এই গণে প্রজাতির সংখ্যা ২২টি।

ঔষধি গুনাগুন
১। সবেগে ও সশব্দে ধোয়া বা পচা মাংস-ধোয় পানির মতো কাশ বারবার হয়। শরীর দুর্বল হয়ে আসে; এমন ক্ষেত্রে ২০/৩০ ফোঁটা শেওড়া ছালের রস ১ বা ২ দিন বার্লির সাথে মিশিয়ে খেলে অবস্থা উন্নতি হবে।

২। শুধু দাস্ত নয় কোষ্ঠবদ্ধতায়ও কার্যকরী শেওড়া। যারা প্রায়ই কোষ্ঠবদ্ধতায় বোগেন তারা শেওড়া পাতা বা মূরের ছালের রস ঘিয়ে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে ঐ ঘি প্রতিদিন সকালে আধা কাপ গরম দুধসহ কিছুদিন খেলে কোষ্ঠবদ্ধতা আর থাকবে না।



৩। পানের সাথে চুন খাওয়া বা দাঁতের যথাযথ যত্ন না নেওয়ায় অনেকের দাঁতের গোড়ায় কালো পাথুরি জমে। এ পাথুরি দূর করতে হলে অন্য কোনো মাজনের সাথে শেওড়া গাছের ছাল চূর্ণ চার ভাগের এক ভাগ মিশি?য়ে দাঁত মাজুন। এতে পাথরগুলো ক্ষয়ে দাঁত উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

৪। শ্লেষ্মার ধাত; শীতের সকালে উঠলেই হাঁপানি ও কাশি-সে এক কষ্টকর অধ্যায়। এমন ক্ষেত্রে আধা চা চামচ ঘিয়ের সাথে ২-৪ ফোঁটা শেওড়া ছালের রস মিশিয়ে খেয়ে দেখুন, উপশম হবে। এর সাথে চিরতর গুঁড়া মিশিয়ে নিলে আরো কার্যকর হবে।

৫। শীতে হাত-পা ফাটে অনেকের। এ ফাটায় শেওড়া গাছের আঠা লাগালে সেরে যাবে।

৬। শ্বেতী কোনো ওষুধে সারে না বলেই জানা যায়। তবে আয়ুর্বেদশাস্ত্রে এর বিধান আছে। শেওড়া বীজ থেকে তেল বের করে লাগালে শ্বেতী মিলিয়ে যাবে। তবে মখমণ্ডল ব্যতীত অন্যান্য স্থানেই এটি কার্যকর।



Chemical Composition
a) Milky juice b) bitter substance (Bhattacharia, 1977).

Sending
User Review
0% (0 votes)







past