Home » শ্বেত শিমুল এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন
বৃক্ষ শ্বেত শিমুল

শ্বেত শিমুল এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

শ্বেত শিমুল এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

শ্বেত শিমুল এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

বৈজ্ঞানিক নামঃ Ceiba pentandra Gaertn, Syn. Bombax pentandrum Linn.
পরিবারঃ Bombaceae
ইংরেজি নামঃ White Silk Cotton Tree

পরিচিতি

কার্পাস বা শ্বেত শিমুল বিশাল আকৃতির গাছ। সাধারণত ২০ মিটার থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। কাণ্ড সরল, শাখা কিছুদূর পরপর লম্বাভাবে চারদিকে ছড়িয়ে বের হয়। কাণ্ড বা শাখার উপরের দিকের বাকল/ছাল সবুজ তবে গোড়ার বাকল ধূসর বর্ণের। ডালে কখনো কখনো কাঁটা দেখা যায়, তবে শিমুলের তুলনায় কম। ডালের অগ্রভাগ থেকে গুচ্ছকারে হাতের আঙুলের ন্যায় চারদিকে ৫/৭টি পাতা বের হয়। শীতকালে পাতা ঝরে যায়। তখন ডারের অগ্রভাগ থেকে ২/৩টি পাপড়িযুক্ত শ্বেত বর্ণের ফুল বের হয়। ফুল ঝরে গেলে মার্চ- এপ্রিলে ফল আসে, তখন পাতা আসে। ফল লম্বায় ১০-২০ সে.মি. হয়, এটি কাঁচা অবস্থায় সবুজ এবং পাকলে ধূসর বর্ণ ধারণ করে। ফলের মধ্যে একাধিক তুলবৃত কালো কালো বীজ থাকে। গাছ তেকে এক ধরনের উজ্জ্বল আঠা বের হয়, একে হাতিয়ান গঁদ বলে। সাদা শিমুল সাধারণত ৪/৫ বছরে ফল দিতে শুরু করে।


বিস্তৃতি

বাংলাদেশের সব অঞ্চরে তবে বিশেষভাবে দক্ষিণ-পূর্বঞ্চলে কার্পাস গাছ দেখা যায়। অনেকেই তুলা চাষের জন্য কার্পাস গাছ রোপণ করে থাকে।

ঔষধি গুনাগুন

১। অনেক শিশু বেশ বড় হলেও বিছানায় প্রস্রাব করে। এটি মায়ের জন্য যেমন বিরক্তি বা কষ্টকর তেমনি শিশুটির জন্যও লজ্জাকর। এক্ষেত্রে সাদা শিমুলের আঠা গুঁড়া ২৫০ -৩০০ মি.গ্রা. মধুসহ সকাল-বিকাল দু’বার মাসখানেক খাওয়ালে এটি বন্ধ হবে। তবে এক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।



২। বয়স বা অন্য কোনো কারণে শারীরিক দুর্বলতায় ১ গ্রাম আঠার গুড়া দুধসহ সকাল-বিকাল দু’বার করে কিছুদিন খেতে হবে।

৩। দীর্ঘদিন ধরে, অনিয়মিত যৌনসম্ভোগে শরীর মন দুর্বল ও অবসন্ন হয়ে পড়েছে। এমন ক্ষেত্রে ৫ গ্রাম আন্দাজ এক বা দু’বছর বয়সের গাছের কচি শিকড় নিয়ে ধুয়ে পানিসহ বেটে সাথে এক কাপ দুধ ও অল্প চিনি মিশিয়ে সকাল-বিকাল দু’বার মাসখানেক খেরে উপকার পাবেন। কাঁচা মূলের অভাবে ২ গ্রাম শুকনো মূলের গুঁড়া সাথে আধাকাপ দুধ ও অল্প চিনি মিশিয়ে ২/৩ বার করে খেতে হবে।

৪। সাদা শিমুল মূল মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে সে কারণে গরমে বা অত্যাধিক শুক্রক্ষয়ের কারণে মূত্রকৃচ্ছ্র হলে উক্ত পদ্ধতিতে ৫/৭ দিন ‍শিমুলের মুল গুঁড়া করে খেলে উপকার পাবেন।


Sending
User Review
92% (1 vote)