Home » আদা এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

আদা এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

আদার উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুণ

আদার উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুণ

পরিচিতি

আদা /Ginger এর সংস্কৃত নাম আর্দ্রক। এটি একটি বর্ষজীবী কন্দাল গুল্ম, গাছ এক মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে দেখা যায়। ঘন ঝোপের মতো হয়ে জন্মে। ঘন কাণ্ডে সুমিষ্ট গন্ধযুক্ত পাতা সুবিন্যস্ত থাকে বলে একে সুপর্ণ বলে। পাতা ৩০-৩৫ সে.মি. লম্বা ও ২.৫-৩.০ সে.মি. চওড়া। পাতারর অগ্রভাগ ও বোঁটার দিকটা সরু থাকে। আদার আকৃতি অনেকটা হলুদের মতো হলেও রং হলুদের মতো উজ্জ্বল নয়। বরং সাদাটে। ফুল প্রায়ই হয় না এবং বীজ দেখা যায় না। সুগন্ধি মশলা হিসেবে এটি বিশেষভাবে সমাদৃত।

ঔষধি গুণ

আদা চাক চাক করে কেটে রোদে শুকিয়ে নিলে এটিকে শুঁঠ বা শুঁঠী বলে। আয়ুর্বেদিকশাস্ত্রে আদার শুঁঠের ব্যবহার বেশি।

১। খাওয়ার অরুচি হলে সিকি কাপ পানিতে ২ চা চামচ লাদার রস ও সামান্য লবণ মিশিয়ে ১০/১৫ মিনিট মুখে পুরে কিছুক্ষণ রেখে ফেলে দিলে খাওয়ার রুচি ফিরে আসে।

৩। খাওয়ার আগে সৈন্ধব লবণ দিয়ে একটু আদা চিবিয়ে খেলে ক্ষুধা বাড়ে, মুখের বিরসতা, জিভের ও গলার কফ ও জড়তা দুই-ই কেটে যায়।

৪। শরীর চাকা চাকা হয়ে ফুলে উঠলে (যাকে চলতি ভাষায় বলে আমবাত) পুরোনো গুড়ের সাথে আদার রস মিশিয়ে খেলে উপশম হয়।

৫। পুরোনো আমাশয়ে এক গ্রাম শুঁঠের গুঁড়া গরম পানির সাথে খেলে উপকার হয়।

৬। বসন্ত রোগে এক চা চামচ আদার রসে এক চা চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে বসন্তের গুটি তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যায়।

৭। ছাগরের দুধের সাথে আদার রস মিশিয়ে খাওয়ালে হিক্কা থেমে যায়।

৮। কোনো জায়গায় কেটে গেলে সেখানে একটু শুঁঠের গুঁড়া টিপে দিলে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যাবে ও কাটার ক্ষত তাড়াতাড়ি সেরে যায়।

৯। আদায় Essential oil রয়েছে তাই আদার রস অত্যন্ত জনপ্রিয়বাবে পেট ফাঁপা, বমি, স্বরভাঙা, কাশি, গলা খুসখুস করা, কোষ্ঠকাঠিন্য, কানব্যথা ও মাথাব্যথার চিকিৎসায় ব্যবহার হয়।

Sending
User Review
0% (0 votes)







past