বৃক্ষমহুয়া

মহুয়া গাছ এর উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন

বৈজ্ঞানিক নামঃ Madhuca indica Gmel. Syn. M. latifolia (Roxb).
পরিবারঃ Sapotaceae
ইংরেজি নামঃ Butter tree/Mahua tree

পরিচিতি মহুয়া ১৬-১৭ মিটার উচ্চতা ও শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট একটি পত্রঝরা গাছ। পাতা ১৫-৩০ সে.মি. পর্যন্ত পরিণত অবস্থায় গাঢ় সবুজ হলেও কচি অবস্থায় ধূসর বর্ণের। ডালের ডগায় পাতাগুলো যেন ছত্রাকারে সাজানো। শীতে পাতা ঝরে ও বসন্তে হালকা ঘন সাদাটে নরম ফুল ফোটে। এর রস ও মিষ্টি গন্ধের জন্য কুকুর-শিয়ালের কাছে খুব প্রিয়। শাখাযুক্ত ফল আকারে ছোট সুপারির মতো। কাঁচা অবস্থায় সবুজ থাকে, শরৎকালে ফল পাকলে হলদে হয়।
বিস্তার
ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া মহুয়ার আবাসভূমি। বাংলাদেশের সর্বত্র এ গাছ লাগানো হয়। এই গণে প্রজাতির সংখ্যা ৮৪ টি।



ঔষধি গুনাগুন
১। মানুষের রোগবলাইয়ের যেমন অন্ত নেই, তেমনি দাওয়াইও আছে। কৃমি একটি বালাই, এর যন্ত্রণার অভিজ্ঞতা নেই এমন লোক কমই আছে। এমন ক্ষেত্রে ৫ ফোঁটা করে মহুয়া বীজের তেল দিনে ২/৩ বার করে খেতে হবে।
২। মহুয়া ফুল ঠাণ্ডা কাশি ও ব্রঙ্কাইটিস এবং রুচিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।
(ক) কাশি তা ঠাণ্ডা বা অন্য যে কোনো কারণেই হোক না কেন, ৫ গ্রাম মহুয়া ফুল অল্প পানিতে বেটে তাতে দেড় কাপ পানি মিশিয়ে নিয়ে সারা দিন অল্প অল্প করে খেতে হবে। এভাবে কিছুদিন খেলে কাশি সেরে যাবে।
(খ) খাওয়ার সময় হলে খাচ্ছে, কিন্ত খাওয়ার যে আগ্রহ বা ক্ষুধাভাব তার অভাব। এটি অনেকের আছে কোনো রোগকে আহ্বান জানাবে, জেনে রাখুন। তাই এরূপ হলে প্রতিকার প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ৫ গ্রাম পরিমাণ মহুয়া ফুল বেটে খেতে হবে। কয়েক দিন এটা খেলে অগ্নিমান্দ্য ভাবও কেটে যাবে।
৩। ঘা শুকাচ্ছে না বরং দিনে দিনে পচন ধরছে। এরুপ ক্ষেত্রে মহুয়া বীজের তেলে ন্যাকড়া বা তুলা ভিজিয়ে ক্ষতে বসিয়ে দিলে পচন কেটে যাবে এবং ঘা শুকিয়ে যাবে।
৪। মাথায় যন্ত্রণায় অনেকে কাতর; পাগল পাগল অবস্থা। এমন অবস্থায় মহুয়া বীজের তেল মাথায় মালিশ করলে যন্ত্রণার উপশম হবে।



৫। গেঁটে বাতের যন্ত্রণা গাঁটে গাঁটে, ফুলেও থাকে এসব স্থান। এক্ষেত্রে মহুয়া ফুল বেটে গরম করে ঐ স্থানে প্রলেপ দিলে বা মহুয়ার বীজের তেল অল্প গরম করে মালিশ করলেও ফুলা এবং যন্ত্রণা দুটোই লাঘব হবে।

Chemical Composition
Seed contains-a) fatty oil b) Protein c) Ash d) Fibre e) Sterols f) Hydrocarbon & g) illipene.
Flowers contain-a) Protein b) fat c) Sugers d) Ash e) Inogranic matter-phosphorus, Calcium, Magnesium & Copper f) Vitamins-Vitamin-A, thiamine, Riboflobin, Folic acid, biotin & inositol (Bhattacharia, 1980).

Show More
Back to top button
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker